প্রতিটি বেট, প্রতিটি গেমে আপনি পয়েন্ট অর্জন করেন। সেই পয়েন্টই আপনাকে নিয়ে যাবে সিলভার থেকে ডায়মন্ড — আর সাথে আসবে বোনাস, ক্যাশব্যাক ও অনেক কিছু।
চারটি স্তরে বিভক্ত আমাদের ভিআইপি প্রোগ্রাম — প্রতিটি স্তরে নতুন সুবিধা আনলক হয়।
joy 7-এ ভিআইপি হলে শুধু বোনাস নয়, পুরো গেমিং অভিজ্ঞতাই বদলে যায়।
মাত্র চারটি সহজ ধাপে আপনিও joy 7 ভিআইপি ক্লাবের অংশ হতে পারেন।
প্রতি ১০০ টাকা বেটে যত পয়েন্ট অর্জিত হয় তা নিচে দেওয়া হলো।
| গেমের ধরন | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| ক্রিকেট বেটিং | ১ পয়েন্ট | ১.৫ পয়েন্ট | ২ পয়েন্ট | ৩ পয়েন্ট |
| লাইভ ক্যাসিনো | ১.৫ পয়েন্ট | ২ পয়েন্ট | ২.৫ পয়েন্ট | ৩.৫ পয়েন্ট |
| স্লট গেম | ২ পয়েন্ট | ২.৫ পয়েন্ট | ৩ পয়েন্ট | ৪ পয়েন্ট |
| টেবিল গেম | ১ পয়েন্ট | ১.৫ পয়েন্ট | ২ পয়েন্ট | ৩ পয়েন্ট |
| ফুটবল বেটিং | ১ পয়েন্ট | ১.৫ পয়েন্ট | ২ পয়েন্ট | ৩ পয়েন্ট |
| ই-স্পোর্টস | ২ পয়েন্ট | ২.৫ পয়েন্ট | ৩ পয়েন্ট | ৪ পয়েন্ট |
অনলাইন গেমিংয়ের দুনিয়ায় অনেক প্ল্যাটফর্ম ভিআইপি প্রোগ্রামের কথা বলে, কিন্তু joy 7-এর ভিআইপি সিস্টেম একটু অন্যরকম। এখানে শুধু বেশি টাকা খরচ করলেই ভিআইপি হওয়া যায় না — আপনার নিয়মিত অংশগ্রহণ, আপনার বিশ্বস্ততা, সেটাই মূল্যায়িত হয়। প্রতিটি বেটে পয়েন্ট জমে, প্রতিটি গেমে আপনি এগিয়ে যান।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা ভেবে joy 7 এই প্রোগ্রামটি তৈরি করেছে। দেশের আর্থিক বাস্তবতা বুঝে, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে — সিলভার থেকে ডায়মন্ড পর্যন্ত চারটি স্তর সাজানো হয়েছে এমনভাবে যাতে সব ধরনের খেলোয়াড় নিজের জায়গা খুঁজে পান।
পয়েন্ট জমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত খেলা এবং বোনাস অফারগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করা। joy 7-এ স্লট গেম ও ই-স্পোর্সে প্রতি ১০০ টাকায় সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া যায়। ডায়মন্ড স্তরে পৌঁছালে পয়েন্ট মাল্টিপ্লায়ার ৩x হয়ে যায়, ফলে একই পরিমাণ বেটে তিনগুণ পয়েন্ট অর্জন সম্ভব।
বিশেষ ইভেন্টের সময়, যেমন ক্রিকেট বিশ্বকাপ বা আইপিএল মৌসুমে, joy 7 ডাবল পয়েন্ট উইকেন্ড চালু করে। এই সময়টা সঠিকভাবে কাজে লাগালে দ্রুত উপরের স্তরে উঠতে পারবেন।
অনেক খেলোয়াড় মনে করেন ক্যাসিনোতে হারলে সব চলে যায়। কিন্তু joy 7-এর ভিআইপি প্রোগ্রামে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক একটা বড় নিরাপত্তা জাল হিসেবে কাজ করে। সিলভার সদস্যরা ৫%, গোল্ড ১০%, প্লাটিনাম ১৫% এবং ডায়মন্ড সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পান। এই টাকা সরাসরি আপনার ওয়ালেটে আসে, কোনো জটিল শর্ত ছাড়াই।
গোল্ড স্তর থেকে প্রতিটি ভিআইপি সদস্য একজন নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান। এই ম্যানেজার শুধু সমস্যা সমাধান করেন না — তিনি আপনার গেমিং পছন্দ বোঝেন, আপনার জন্য কাস্টম অফার তৈরি করেন এবং বড় টুর্নামেন্টের আগে আগে আপনাকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করেন। joy 7-এ ভিআইপি মানে শুধু একটা ব্যাজ নয় — এটা একটা সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বা রাজশাহী — দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে খেলুন। joy 7-এর মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন মানে স্মার্টফোনেই পুরো ভিআইপি সুবিধা পাবেন। বিকাশ, নগদ ও রকেটে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করুন সহজে — ভিআইপি সদস্যদের জন্য ট্রানজেকশন লিমিটও বেশি।
joy 7 বিশ্বাস করে যে প্রতিটি খেলোয়াড়ই বিশেষ। আর সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি হয়েছে এই ভিআইপি প্রোগ্রাম — যেখানে আপনার প্রতিটি মুহূর্তের মূল্য দেওয়া হয়।